জিতলেই প্লে-অফে, কিন্তু হারলেই বিদায়– এমন সমীকরণ নিয়েই ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে নেমেছিল খুলনা টাইগার্স। বাঁচা-মরার ম্যাচে খুলনার বোলাররা ঢাকাকে অল্প রানেই আটকে রেখে তাদের কাজটা করে দিয়েছিল। বাকি কাজটা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যাট হাতে সারলেন। দারুণ এক ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়লেন অধিনায়ক মিরাজ। তাতে বিপিএলের ১১তম আসরের প্লে-অফের লাইনআপও নিশ্চিত হয়ে গেল।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে খুলনা টাইগার্স।
এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করে ঢাকা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে খুলনা ১৯ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
খুলনা ১২ ম্যাচের ৬টিতে জয়ে পাওয়া ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে থেকে লিগ পর্ব শেষ করল। দুর্বার রাজশাহীও খুলনার সমান পয়েন্ট পেলেও রানরেটে পিছিয়ে থাকায় পঞ্চম স্থানে থেকে শেষ করেছে।
১২৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে খুলনার শুরুটা বাজে হয়েছিল। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন ইনফর্ম মোহাম্মদ নাঈম আর আফিফ হোসেন। টানা দুই ওভারে এই দুজনকেই ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ১৪ রানে ২ উইকেট হারায় খুলনা।
তবে অধিনায়ক মিরাজ এবং অ্যালেক্স রসের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা। ৪২ বলে ৬৮ রানের জুটি গড়েন তারা। ১৯ বলে ২২ রান করে রস আউট হলে এই জুটি ভাঙে।
উইলিয়াম বসিস্তোর সঙ্গে আরও ৩৮ রানের জুটি গড়েন মিরাজ। ২০ বলে ১৮ রান করে মস্তাফিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন বসিস্তো।
বাকি কাজটা মিরাজ একাই সেরেছেন। ৫৫ বলে ৫ চার ও ৪ ছয়ে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। মোহাম্মদ নেওয়াজ ৬ মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। রহমত ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে বাকি উইকেটটি পান।
এর আগে ঢাকা তানজিদ তামিমের ৩৭ বলে ৫৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ১২৩ রান করেন। বাকিদের মধ্যে সাব্বির ২০, মেহেদী রানা ১৩ এবং লিটন দাস ১০ রান করেন। ঢাকার আর কেউই দুই অংকের রানের দেখা পাননি।
এনএ/


