23.1 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গোপনে টিউলিপ সিদ্দিকের তথ্য নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা

যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)। টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাপারে তথ্য নিতে গোপনে বাংলাদেশে এসেছিলেন দেশটির গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সঙ্গে ঢাকায় এক গোপন বৈঠকের পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বৈঠক করে ব্রিটেনের গোয়েন্দাদের একটি দল। বাংলাদেশি কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছেন, তারা টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নতুন তথ্য জোগাড় করতে সমর্থ হয়েছেন। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা এখন টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই, ই-মেইলের তথ্য যাচাই, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির মাধ্যমে টিউলিপ ও তার পরিবারের সদস্যরা ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাৎ করেছেন। এ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ ঋণ এসেছে ক্রেমলিন থেকে, আর দায়িত্বে আছে রাশিয়ান কোম্পানি রোসাটম।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছ থেকে লন্ডনে যথাক্রমে সাত লাখ ও ছয় লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট উপহার পাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর এরই মধ্যে মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন টিউলিপ।

২০১৩ সালে মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের ছবিতে টিউলিপ সিদ্দিককে দেখা গিয়েছিল।

এনসিএ-র কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে ব্রিটেনের লেবার পার্টির জুনিয়র মিনিস্টার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নী টিউলিপ সিদ্দিক গত মাসে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর তার এমপি পদে থাকা নিয়েও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জোর আপত্তি।

দেখুন:গাজীপুরের বাগানে ১২ জাতের ৭০ হাজার টিউলিপ | 

পড়ুন:টিউলিপ পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন

এসএম/ইম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন