অন্তবর্তী সরকারের ৬ মাসে, ঝিমিয়ে পড়েছে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ। উদ্যোক্তারা বলছেন, অনিশ্চিত এই সময়ে তারা কেউ বিনিয়োগে সাহস করছেন না। তারা বলছেন, উল্টো, ঋণের সুদহার বাড়ায়, সরাসরি ব্যবসার খরচ বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতি সামাল দেয়া না যায়, সংস্কার ফিকে হয়ে যাবে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে, ব্যাংকিং খাত দুর্দশায় পড়েছে। অনেক ব্যাংক এখন আছে লাইফ সাপোর্টে, চলছে ফরেনসিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা। ভাগ্য নির্ধারণ হবে তারপরই।
অন্তবর্তী সরকারের গত ৬ মাসের শাসনে, আর্থিক খাতে নানা সংস্কার উদ্যোগ চলছে। এই যেমন অনেক ব্যাংকের বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। যদিও, এই সময়টা, ব্যাংকগুলোর লোকসানের দায় দায়িত্বও, টানতে হবে শেয়ার হোল্ডারদের।
আর্থিক খাতে সংষ্কার চোখে পড়লেও, ব্যবসা, বাণিজ্য নিয়ে নেই কোন সংস্কার কর্মসূচি। বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে সরকারের চিন্তার প্রকাশ মেলেনি ৬ মাসে। সরকারের এ সময়কালটায় ঝিমিয়ে পড়েছে বিনিয়োগ।
দেশি কিংবা বিদেশি, কোন বিনিয়োগকারী সাহস করছেন না ব্যবসা সম্প্রসারণে। ব্যবসা ও বিনিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা নতুন মাত্র, অনেক কারখানায় তালা পড়ছে।
তথ্য উপাত্ত বলছে, বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে বড় আকারে, এই হার গত ১১ বছরে সর্বনিন্ম। বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা না গেলে, কর্মসংস্থান বাড়বে কোথা থেকে, সেই প্রশ্ন ওঠতে শুরু করেছে।
এনএ/


