১১/০২/২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

লিবিয়ায় ২৯ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় কমপক্ষে ২৯ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিমে দুটি স্থান থেকে এসব মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে দেশটির নিরাপত্তা অধিদপ্তর এবং লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

লিবিয়ার আলওয়াহাত জেলার নিরাপত্তা অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির দ্বিতীয় বৃহৎ শহর বেনগাজি থেকে প্রায় ৪৪১ কিলোমিটার দূরে জিখারা অঞ্চলের, একটি খামারের গণকবরে ১৯ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। চোরাচালানকে কেন্দ্র করে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ছবি: সংগৃহীত

লিবীয় এই অধিদপ্তর মরদেহ উদ্ধারের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছে। সেখানে পুলিশ অফিসার ও জালু রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকদের মৃতদেহগুলোকে কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখতে দেখা যায়।

গতকাল সন্ধ্যায় পৃথক এক ফেসবুক পোস্টে লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, দেশটির রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে জাওইয়া শহরের দিলা বন্দর থেকে আরও ১০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্বেচ্ছাসেবীরা।

রেড ক্রিসেন্টের ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে স্বেচ্ছাসেবকদের ডকসাইডে সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে মৃতদেহ রাখতে দেখা গেছে। আর একজন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিটি ব্যাগের ওপর নম্বর বসাচ্ছেন।

ছবি: সংগৃহীত

অধিদপ্তর জানিয়েছে, জালুতে পাবলিক প্রসিকিউশন অফিসের উপস্থিতিতে অধিদপ্তর জিখারা এলাকায় চোরাচালান এবং অবৈধ অভিবাসনের কারণে মৃত্যু হওয়া ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা একটি পরিচিত চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আলওয়াহাত নিরাপত্তা অধিদফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খামারের মোট তিনটি কবরে মরদেহগুলো পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি কবর থেকে একটি, আরেকটি কবর থেকে চারটি এবং অন্যটি থেকে ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার জন্য মৃতদেহগুলোকে ফরেনসিক ডাক্তারের কাছে রেফার করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সামরিক জোট ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের পর থেকে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করা হয়। আর এরপর থেকেই আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে সংঘাত ও দারিদ্র্যের কবল থেকে মুক্তি পেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যেতে অভিবাসীদের জন্য একটি ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে লিবিয়া।

এসএম/

আরও পড়ুন:আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

পড়ুন: ফিলিস্তিনিদের গাজা ছাড়া নিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন