সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেপ্তার হন ৫৭ জন বাংলাদেশি। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ অনুরোধে তাদের সাজা স্থগিত করে দেশটির সরকার। এরপর দেশে ফিরে আসেন সেই প্রবাসীরা। তারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান এবং কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে প্রবাসীরা বিক্ষোভ ও রেমিট্যান্স বন্ধের কর্মসূচি পালন করেন। এতে গ্রেপ্তার হওয়া অনেককে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাজা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় তারা মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গত ২৮ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হলেও তাতেও তারা অসন্তুষ্ট। এছাড়া, ২৯ ডিসেম্বর ৭ জন প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি।
এছাড়া তারা অভিযোগ করেন, দেশে ফিরে এসে তারা আরব আমিরাতসহ অন্যান্য দেশে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, বিনা খরচে বিদেশ পাঠানোর সুযোগ, দেশে চাকরি ও ব্যবসার জন্য লোনের ব্যবস্থা, বয়স্কদের সরকারি ভাতার আওতায় আনা, নো-এন্ট্রি তুলে নেওয়া, গ্রেপ্তারি প্রক্রিয়া বন্ধ করা, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা, ক্ষতিপূরণ ট্রাস্ট গঠন এবং প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার জন্য সম্মাননা অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন।
এ অবস্থায় তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে চান এবং দ্রুত সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
পড়ুন:সৌদিতে আরও ২০ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার
দেখুন:বিয়ের লোভ দেখিয়ে প্রবাসীর অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ! |
ইম/


