১০/০২/২০২৬, ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পুনরায় নির্দেশনা অমান্য: জনতার বাজারে পশুরহাটে টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জনতার বাজারে পশুরহাট অপসারণে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে ফের অবৈধভাবে পশুর হাট বসিয়েছে জনতার বাজার পরিচালনা কমিটি। অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়েছে ক্রেতাদের।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) সারাদিন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জ উপজেলার জনতার বাজারে গরু-ছাগলের হাট বসে।

জানা যায়, গত তিন সাপ্তাহ পূর্বে জনতার বাজার অপসারণে জেলা প্রশাসনের নিদের্শনার কথা উল্লেখ করে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তির সাইনবোর্ড টানানো হয়। টানানো সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- কোনো ব্যক্তি সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো হাট পরিচালনা করলে বা অবৈধভাবে হাট পরিচালনায় সহযোগীতা করলে অথবা মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে হাট-বাজার আইন ২০২৩ ও মহাসড়ক আইন ২০২১ অনুসারে দন্ডনীয় অপরাধ হবে। আইন অমান্যকারীকে সংশ্লিষ্ট আইন মোতাবেক কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হবে।

তবে শনিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়- জনতার বাজার পশুরহাটে প্রায় ৪-৫ হাজার গরু ছাগল নিয়ে আসেন বিক্রেতারা। পশুরহাটকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগের বিভিন্নস্থান থেকে বাজারে আসেন ক্রেতারা। বাজারের একটি অংশে জনতার বাজার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে টাকার বিনিময়ে গরু-ছাগল সনাক্তের প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয় ক্রেতা-বিক্রেতাকে। প্রতিটি গরু-ছাগল বিক্রির প্রত্যয়নপত্রের জন্য পরিচালনা কমিটিকে ৫শ টাকা করে দিয়ে হয়েছে ক্রেতাদেরকে। বাজার অপসারণে প্রশাসনের নিদের্শনা অমান্য করে অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে গরু-ছাগল বিক্রির প্রত্যয়নপত্র দেয়ার খবরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মাধবপুর বাজার থেকে ফিরোজ মিয়া বলেন, আমি বাহুবল উপজেলার গরু বিক্রতা বাবলু মিয়ার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে ২টি গরু ক্রয় করেছি, জনতার বাজার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ২টি গরুর জন্য হাসিল বাবদ ১ হাজার টাকা নিয়ে একটি প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়।

মুল্লারবন এলাকার দলা মিয়া বলেন, ৮২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে একটি কালা ক্রস ডেকা ক্রয় করেছি, প্রত্যয়পত্রর জন্য বাজার কমিটিকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।

পশুরহাটে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিম মিয়া বলেন, ৫০ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে একটি নেড়া লাল ডেকী বাছুর ক্রয় করেছি, বাজার কমিটির লোকজন ১টি গরুর জন্য হাসিল বাবদ ৫০০ টাকা নিয়ে একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ফরিদুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে স্থাপিত জনতার বাজার পশুরহাট অপসারণে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, ৩১ জানুয়ারির পর থেকে আমাদের কোনো লোক বাজার থেকে হাসিল আদায় করেনা। তিনি বলেন- অবৈধভাবে যারা পশুরহাট বসিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এনএ/

দেখুন: ক্রেতার ইচ্ছা মতো মুরগী বিক্রি হয় যে বাজারে!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন