১৩/০২/২০২৬, ২১:২০ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ২১:২০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নাটোরে বিয়েবাড়িতে উচ্চস্বরে গান বাজানোর জেরে বাসরঘর ভাঙচুর 

কয়েক দিন ধরে বিয়েবাড়িতে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে বরপক্ষের বাড়িতে হামলা ও বাসরঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বরের মা ও নানিসহ চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জয়ন্তীপুর গ্রামের মিন্টু আলী শাহের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিন্টু আলী শাহের বাড়িতে তার ছেলের বিয়ে উপলক্ষে ধরে সাউন্ড বক্সে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে নাচানাচি করেন বিয়েবাড়িতে আগত অতিথিরা। এ নিয়ে প্রথম দিন প্রতিবেশি আবদুল আওয়াল শাহ এসে তাদের বাড়িতে বৃদ্ধ ও ছোট বাচ্চাদের সমস্যা হচ্ছে বলে বরের বাবাকে বিষয়টি জানালে তিনি সাউন্ড কমিয়ে দেন। এরপর শুক্রবার বিয়ের পর রাতে আবারও উচ্চশব্দে গান বাজাতে লাগলে আবদুল আওয়াল শাহ ও তার ছেলেসহ স্থানীয় তিন-চারজন এসে মারধর করে বরকে বাসরঘর থেকে বের করে দিয়ে বাসরঘর ভাঙচুর করেন।

বরের বাবা মিন্টু আলী শাহ জানান বিয়েবাড়িতে

হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়িতে ঢুকে বরকে বাসরঘর থেকে টেনে বাইরে নিয়ে এসে মারধর করেন। এরপর বাসরঘরে ঢুকে বাড়িতে আগত অতিথিদের বলেন, তোরা এখন গান বাজা আমরা বাসর করব। এরপর ঘরে থাকা খাটসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল আওয়াল শাহ বলেন, কয়েক দিন ধরে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে এলাকার কাউকে ঘুমাতে দিচ্ছে না বিয়েবাড়ির লোকজন। আমরা তাদের গান বাজাতে নিষেধ করেছি শুধু।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিয়েবাড়িতে গত তিন-চার দিন ধরে সাউন্ড বক্স বাজাচ্ছিলেন তারা (বরপক্ষ)। পাশের বাড়িতেই ৮১ বছর ও ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধসহ প্রতিবন্ধী বাচ্চারা ছিল। এতে বিগত কয়েক দিন ধরে তাদের ঘুম হচ্ছিল না। এ নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে কথা কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। 

পড়ুন:ধানমন্ডি ৩২-এ বাড়িতে ভাঙচুর চলছে সকালেও

দেখুন :কুষ্টিয়ায় হানিফের বাড়ি ভাঙচুর নিয়ে যা বললেন জনতা | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন