ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বারবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ও তার সহযোগী সুমন হোসেনকে পুলিশে দিয়েছে জনতা।
রোববার রাত ৯টার দিকে যশোর শহরের ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তার নামে কালীগঞ্জ বিএনপির অফিস ভাঙচুরসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বিকালে ছোট ভাই সুমনকে নিয়ে যশোর ল্যাব এইড হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান আবুল কালাম আজাদ। এ সময় ল্যাব এইড হাসপাতালে ক্ষুব্ধ জনতা তাদের পিটিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে যশোর ডিবি পুলিশের একটি টিম রাত সাড়ে ৯টার দিকে আবুল কালাম আজাদ ও তার ভাইকে হেফাজতে নেয়।

এ ব্যাপারে যশোর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) মনজুরুল হক ভুইয়া বলেন, রাত ৯টার পরে ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কালীগঞ্জ থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের নিজ অফিস থেকে দুটি তাজা বোমা, ১২০ বোতল ফেনসিডিল ও ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার বড় ভাই আব্দুস সালাম এবং তার সহযোগী উজ্জল হোসেন, সুমন হোসেন ও ফরহাদ হোসেনকে আটক করে ঝিনাইদহ র্যাব-৬ সদস্যরা।

গত ২৮ অক্টোবর ঝিনাইদহে
র্যাব-৬-এর ডিএডি জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে প্রধান আসামি করে মোট ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মাদক ও বিস্ফোরক আইনে মামলাটি দায়ের করেন (জি.আর মামলা নং- ১৩৯/২০১৬)।
২ নভেম্বর কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে চেয়ারম্যানের বাড়িতে আরেকটি অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে ১টি দেশীয় রিভলবার, ৪টি শাটার গান, ৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ৫০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই সোহেল রানা, সোহান ও মাদক ব্যবসায়ী জামালকে আটক করা হয়।
পড়ুন:ঝিনাইদহে গুলিতে নিহত ৩: দুই দিনেও হয়নি মামলা
দেখুন : ঝিনাইদহে ট্রিপল মা*র্ডা*র, এলাকায় আতঙ্ক
ইম/


