১১/০২/২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিমানবন্দর থেকে চাঁদপুরের যুবলীগ নেতা ছেলেসহ গ্রেপ্তার

চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মাঝি ও তার ছেলে রাকিব মাঝিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। 

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার (৫ মার্চ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মোঃ বাহার মিয়া।

তিনি বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মাঝি ও তার ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক রাকিব মাঝিকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর থানা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আমাদেরকে জানিয়েছে। তাদেরকে আনতে চাঁদপুর থেকে বিমানবন্দর থানায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে রাকিবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ের ঘটনায় মামলা রয়েছে। গতবছর ৫ আগস্টের পর তারা বিভিন্ন স্থানে আত্ম গোপনে অবস্থান করছিলেন। তারা উভয়ে এর আগে শহরের পুরান বাজারের একটি হত্যা মামলারও আসামি ছিলেন।

এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মোঃ আলী মাঝির এলাকা পুরানবাজারে গেলে তার সম্পর্কে নানান তথ্য উঠে আসে। সরজমিনে পুরানবাজারের নিতাইগঞ্জ এলাকায় তার বিশাল অট্টালিকা নজর কাড়বে সবার।

স্থানীয়রা জানান, মোঃ আলী মাঝি একজন চেনাচুর ব্যবসায়ী। তার এলাকায় চানাচুরের তার নিজস্ব ফ্যাক্টরি রয়েছে। এক সময় তিনি জাতীয় পার্টির নেতা ছিলেন এবং পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তন হলে আওয়ামীলীগ করা শুরু করেন। তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সংসদ ডা. দীপু মনি ও তার সহযোগী প্রয়াত বালুখেঁকো ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খানের সাথে যোগসাজশে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হন। পুরানবাজারের শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজে জিও ব্যাগ ভর্গি বালু ফেলার কাজের অনিয়মেও তিনি জড়িত থাকার অভিযোগ ছিলো গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। তবে সবশেষ গেলো বছর তার ছেলে জেলা ছাত্রলীগ নেতা রাকিব মাঝিকে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করিয়ে তিনি নানা আলোচনার জন্ম দেন।

এনএ/

দেখুন: যেভাবে বি*ধ্ব*স্ত হল কাজাখস্তানের যাত্রীবাহী বিমান!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন