করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করার সুপারিশ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান-সিপিডি। সংস্থাটি বলছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষ সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছে। এদিকে, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে অভিমত তাদের।
গত তিন বছরের বেশি সময় মানুষ উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে কষ্টে আছেন। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি এসময়টাতে জিনিসপত্রে বাড়তি দামে চিড়েচ্যাপ্টা ছিলো মানুষের জীবন। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেশি।
জীবনযাত্রার খরচ সামাল দিতে গিয়ে মানুষ সঞ্চয় খরচ করে খাচ্ছে। এপরিস্থিতিতে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর সুপারিশ বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান-সিপিডির। বর্তমানে যা সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকা। সকালে ২০২৫-২৬ অর্থবছর নিয়ে, এক ব্রিফিং করে সংস্থাটি।
সিপিডি বলছে, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর আগামী অর্বছরও থাকবে নানামুখী চ্যালেঞ্জে। আর সরকারকে সম্পদ সংগ্রহে দক্ষতা বাড়াতে হবে।
এলডিসি উত্তরণের ফলে রপ্তানিমুখী খাত চাপে পরবে বলে জানিয়েছে সিপিডি। বলছে, চাপ মোকাবিলা করতে বেসরকারি খাতকে নীতি সহায়তা ও ব্যবসার যাতে খরচ কমে সে দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
এনএ/


