বিজ্ঞাপন

গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত

ফিলিস্তিনের দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কিছু শিশুও রয়েছেন। হামলা চালানোর পর, স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকরা আহতদের উদ্ধারে কাজ করছেন।

বিজ্ঞাপন

গত সোমবার গাজার পূর্ব অংশে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছিল বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এই হামলার পর, গাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। এ পর্যন্ত হামলায় প্রায় ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৪০০ নারী ও শিশু। হামাস জানিয়েছে, তাদের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

মিশর গাজায় এই যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য নতুন একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে,

হামাস প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি দেবে এবং ইসরাইল প্রথম সপ্তাহ শেষে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন করবে। বর্তমানে হামাসের হাতে ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে, যাদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ইসরায়েল এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিশরের প্রস্তাবে গাজা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর বিনিময়ে হামাস জিম্মিদের মুক্তি দেবে। তবে, হামাসের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কিছু বলা হয়নি এবং তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাফা নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী তেল আল-সুলতান এলাকায় প্রবেশ করায় হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েছে। তারা খাবার, পানি ও ওষুধ ছাড়া দিন কাটাচ্ছে। গাজায় ফিলিস্তিনি নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, রাফায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ আটকা পড়েছে, যারা মানবিক সংকটের মুখোমুখি।

এদিকে, জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, গাজার সাম্প্রতিক হামলায় ১ লাখ ২৪ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, অবরোধের কারণে গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে এবং এটি পুরোপুরি মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ পাঠানো খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

পড়ুন: গাজায় নিহত ৫০ হাজার ছাড়াল, যার মধ্যে ১৭ হাজারই শিশু

দেখুন: আর্জেন্টিনাসহ যেসব দেশে গাজায় সেবন বৈধ |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন