বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা শুভেচ্ছা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। এদিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের এই বিশেষ দিনে অভিনন্দন জানায়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই দিবসটি এমন একটি মুহূর্তে উদযাপিত হচ্ছে, যখন বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতিকে একটি নির্বাচন প্রস্তুত করার কাজ করছে, যা বাংলাদেশের জনগণকে তাদের ভবিষ্যত বেছে নেওয়ার সুযোগ দেবে।

বিজ্ঞাপন

মার্কো রুবিও তার বিবৃতিতে আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে একটি উজ্জ্বল এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে যাত্রায় সমর্থন করে। আমরা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার উন্নয়নে আমাদের অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার জন্য উন্মুখ।” তার এই বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক এবং সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এছাড়া, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজকের এই বিশেষ দিনে, আমি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং নিশ্চিত করছি যে, আমরা একসাথে কাজ করে আমাদের উভয় দেশকে নিরাপদ, শক্তিশালী এবং আরও সমৃদ্ধ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এভাবে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যতেও সহমত ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রাখার কথা পুনরায় নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে তার এই বার্তা দুটি দেশের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলন।

পড়ুন: ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান একাত্তরের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে: আসিফ

দেখুন: ইতিহাসের সাক্ষী স্বাধীনতা জাদুঘর 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন