ঈদের ছুটি শুরুর একদিন আগেই আজ থেকে ঈদ যাত্রায় নগরবাসী। উপচেপড়া ভিড় না থাকলেও প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে নাড়ীর টানে বাড়ি যাচ্ছেন অনেকে। তবে ট্রেন বাস উভয়পথেই ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের ছিলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া। রেল উপদেষ্টা বলছেন, ঈদে ট্রেনের চাহিদা বাড়ে ছয়গুন। তাই রেলের সংখ্যা বাড়ানো না গেলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব না।
প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপন ও আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ীর টানে বাড়ি ফিরতে কমলাপুর রেল স্টেশনে সকাল থেকে হাজারোও মানুষের ভিড়।
স্বাধীনতা দিবসের ছুটির সাথে একদিন বাড়তি ছুটি যোগ করেছেন অনেকে। সবমিলিয়ে ১১ দিনের লম্বা ছুটি। শেষ সময়ের ভিড় এড়াতে তাই আগে ভাগেই রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ।
এ দিন কমলাপুর রেল স্টেশন পরিদর্শন ও যাত্রীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন রেল উপদেষ্টা। জানান, ঈদে টিকেটের চাহিদা বাড়ে ছয় গুন। এসময় দুর্নীতি ও অপচয় রোধে কাজ চলমান আছে।
এদিকে বাস টার্মিনালগুলোতেও বাড়ছে যাত্রী চাপ। শেষ সময়ের যানজট আর টিকেটের ভোগান্তি এড়াতে বাড়ির পথে নগরবাসী। সবার চোখে মুখে ঈদের আনন্দ।
বৃহস্পতিবার থেকে ঈদ যাত্রায় সারাদেশে যুক্ত হচ্ছে স্পেশাল পাঁচটি ট্রেন। সবমিলে রাজধানী থেকে ৭০টি ট্রেনে চেপে কিছুদিনের জন্য যান্ত্রিক জীবন পিছনে ফেলে বাড়ি যাবেন রাজধানীবাসী।
এনএ/


