জয়পুরহাটে সরকারি সভাকক্ষে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এমপি প্রার্থী সাবেক প্রশাসনের কর্মকর্তা (ছিলেন সাবেক সচিব) আব্দুল বারী। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বলে দেখা গেছে।
তবে প্রশাসনিক অফিসের সভাকক্ষে একজন রাজনীতিকের এমন নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। সরকারি অফিসে রাজনৈতিক সভা আয়োজনের বৈধতা নিয়েও স্থানীয় সচেতন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে৷ সরকারি সভাকক্ষে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেইসাথে সমালোচনার চলছে নেটদুনিয়াতে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান, সাবেক সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক আব্দুল আলিম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সোহেল রানা, সাবেক ছাত্রনেতা মতিয়র রহমান বাঁধনসহ বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান বলেন, ডিসি বারী সাহেব আমাদের দাওয়াত দিয়েছিলেন, আমরা শুধু গিয়েছি। এই আয়োজন আমরা করিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রশাসনের কর্মকর্তা (ছিলেন সাবেক সচিব) আব্দুল বারী বলেন, সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় করেছি। সেখানে কোনো ধরনের প্রচারণা হয়নি, আমি শুধু উপস্থিত ছিলাম।
এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, তিনি একজন সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে অনুমতি নিয়ে আমার রুমে বসেছিলেন। আমি তাঁকে সভাকক্ষে বসার অনুরোধ করেছি। সেখানে কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম হয়নি।
পড়ুন : জয়পুরহাট অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, আবারও তিন পরিবহনকে জরিমানা


