১৪/০১/২০২৬, ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই ভাসুর গ্রেফতার

পারিবারিক বিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছের সাথে ৩ ঘন্টারও বেশী সময় বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগে তার দুই ভাসুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার সন্তানদের করা হয় মারধর। ইতিমধ্যে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকালে সুলতানপুর থেকে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

গ্রেফতাররা হলেন, সদর উপজেলার সুলতানপুর মধ্যপাড়ার মন্তাজ মিয়ার ছেলে মঙ্গল মিয়া (৫৪) ও তার ভাই জয়নাল আবেদীন (৪২)।

এ ঘটনায় ভূক্তভোগী ওই নারী মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় সাতজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।  

সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামে। প্রকাশ্যে এমন নির্যাতনে প্রতিবেশীরা বাঁধা দিলেও তাতে কাজ হয়নি। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে উদ্ধার করা হয় ওই নারীকে। 

ভুক্তভোগী নারী শারমিন আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী মোঃ হায়দার আলী দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি প্রবাসী। তবে টাকার লেনদেন ও বিভিন্ন পারিবাকি বিষয় নিয়ে শারমীনের সাথে প্রায়ই তার ভাসুরসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন বিরোধে জড়ায়। সোমবার বিকেলও স্বামীর সাথে ফোনে কথা বলার সময় দুই ভাসুর মঙ্গল মিয়া ও জয়নাল আবেদীনসহ পরিবারের লোকজন তাকেসহ সন্তানদের মারধর করে। এক পর্যায়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখে চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি চান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শারমিন থানায় সাতজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। 

পড়ুন: ঈদের আগে দিনরাত ব্যস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাদুকা শ্রমিকরা

দেখুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাঁশ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার কারণ কী? 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন