১৫/০১/২০২৬, ৩:০১ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৩:০১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে 

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কুপিয়ে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাইকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক। 

নিহত আমির সরকার (৩০)আলোকবালী ইউনিয়নের ৩ নং সদস্য ও সাবেক ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আব্দুল হক মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগীর লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আমিরের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার(২৫) ও তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম (৫৫)। তারা নরসিংদী হাসপাতালে ভর্তি করা চিকিৎসাধীন আছেন।,

বিজ্ঞাপন


জানা যায়, একই গ্রামের স্থানীয় বিএনপির কর্মীর আব্দুল জব্বার মিয়ার (৫৬) সাথে ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আব্দুল জব্বার হলেন আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার কর্মী । ২০২১ সালে একই ওয়ার্ডে নিহত আমির সরকার ও আব্দুল জব্বার ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং আমির সরকার বিজয়ী হয়। এছাড়াও তাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে জব্বার ও তার লোকজন কুপিয়ে হত্যা করে। 

ভুক্তভোগীর ভাই সোহরাব মিয়া (২৭) বলেন, “গতকাল সোমবার রাতে আমার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম ৯ বছর পর মালেশিয়া থেকে দেশে আসেন। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে রাতে বাসায় নিয়ে আসেন আমির সরকার। পরে, আজ মঙ্গলবার দুপুরে আমির সরকার  ও রফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করে বিএনপি নেতা জব্বার,  তারা মিয়া (২৮), আমিরুল (২৬), শামসুল হকের ছেলে আলী (২৫), জিহাদ (২২), খোকন মিয়া (২৬) সহ ১০-১২ জন কুপিয়ে হত্যা করে। আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ভুক্তভোগীর আরেক ভাই জুয়েল মিয়া বলেন (৪৬) বলেন, “নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার নির্দেশে তার কর্মী জব্বার ও তার লোকজন আমির সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করে। জব্বার মিয়া একই ইউনিয়নের নেকজানপুর গ্রামের ৩ জন হত্যার মামলার এজহারভুক্ত আসামী।”

নরসিংদী সদর হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার সজিব সাহা বলেন, “আমির সরকারকে মৃত অবস্থায় আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মারা গেছে। তার গায়ের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।’

তবে, অভিযুক্ত আব্দুল জব্বার মিয়াকে কল দেয়া হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ” পূর্ব শত্রু ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিলো। সে বিরোধ থেকে আমির সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন : নরসিংদীতে স্ত্রীকে হত্যায় অভিযুক্ত পলাতক স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন