১৩/০২/২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কাফি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র কাফি খন্দকার (৮) প্রায় এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় পরিবার ও স্বজনরা। এ ঘটনায় থানায় জিডিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোন সন্ধান মিলছেনা। বিষয়টি জেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়র সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে ওই শিশুকে উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কাফি স্কুলছাত্র কাফি খন্দাকার ক্ষেতলাল উপজেলার শ্যাওলাপাড়া গ্রামের সঞ্চয় খন্দকারের ছেলে ও নশিরপুর দৌলতগাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

পরিবার ও স্বজনরা জানায়, প্রতিদিনের মতো গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে বাড়ির পাশে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলা করছিলেন স্কুলছাত্র কাফি খন্দকার। খেলাশেষে সেদিন সন্ধ্যার আগে অন্য শিশুরা বাড়ি ফিরলেও বাড়ি ফিরেননি কাফি। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করে একমাত্র ছেলের সন্ধান না পেয়ে চরম হতাশা, কষ্ট ও অনিশ্চিয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কিভাবে সে নিখোঁজ হলো তার নেই কোন হদিস। দ্রুত কাফিকে উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার ও এলাকাবাসীরা।

জয়পুরহাটে এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কাফি জেলার আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য জোসনা খাতুন বলেন, শিশু কাফি নিখোঁজ হওয়ার পরপরই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে না পেয়ে আমাদের গ্রামের প্রত্যেকটা বাড়িতে তল্লাশী করা হয়েছে। তারপরও তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা। থানায় জিডি করা হয়েছে। একটা বাচ্চা খুজে বের করতে প্রশাসনের এতো সময় লাগে? পুলিশ-প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো দ্রুত বাচ্চাটিকে উদ্ধার করার জন্য।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে। নিখোঁজ কাফিকে উদ্ধারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। পাশাপাশি র‌্যাবসহ দেশের বিভিন্ন থানায় বিষয়টি জানানো হয়েছে। সবাই চেষ্টা করছে।

পড়ুন: জয়পুরহাটে স্নাতক সমমানের দাবিতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন

দেখুন: জয়পুরহাটে সিসিটিভিতে ধরা পড়লো অভিনব কায়দায় চুরি 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন