বরগুনায় শ্যালিকাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা ও দুই শিশুকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুপুরে বরগুনার নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌসের এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামির নাম মোঃ ইলিয়াস পহলান। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার পূর্ব কেওয়াবুনি গ্রামের আবুল হোসেন পহলানের ছেলে। এছাড়াও একই মামলায় তাকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট রাতে বরগুনা সদর উপজেলার রোডপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রিগান আক্তার তার ৩ বছর বয়সী কন্যা শিশু তাইফা ও প্রতিবেশী গোলাম খবিরের ছেলে ১৩ বছর বয়সী হাফিজুরকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এসময় রিগান আক্তারের ভগ্নিপতি ইলিয়াস পহলান ধর্ষণের উদ্দেশ্যে তার ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় দুজনের ধস্তাধস্তিতে ঘুম ভেঙ্গে যায় শিশু তাইফা ও হাফিজুরের। এতে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিগান আক্তার, তাইফা ও হাফিজুরকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন ইলিয়াস। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন হাফিজুর। আর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেয়ার পথে মারা যায় তাইফা। আর দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন রিগান আক্তার। ঘটনার দিনই ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ মামলায় ইলিয়াস একমাত্র আসামি ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রনজুয়ারা সিপু বলেন, মামলার রায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তার দাবি, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধ দমনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
পড়ুন: বরগুনার তালতলী আন্ধার মানিক নদী থেকে অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
দেখুন: বরগুনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ময়লা আবর্জনায় অস্বাস্থ্যকর
ইম/


