১০/০২/২০২৬, ১৮:৩২ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১৮:৩২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ফেনীতে অবৈধভাবে সরকারি জমির মাটি কাটায় ছয়জনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১টায় জেলার সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ আদেশ দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার।

বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, চাঁদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নদীর পাড়ের সরকারি জমির মাটি কাটায় ছয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন অনুযায়ী নদী তীরবর্তী মাটি কাটার দায়ে মো. জয়নাল আবেদীনকে (৫২) চার মাস কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, মো. ইসমাইলকে (৩৫) তিন মাস কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, মো. সাদ্দামকে (৩৩) তিন মাস কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছা মো. আরিফ (৩৫), মো. ইসরাফিল (২৩) ও মো. জাহাঙ্গীরকে (৩৫) এক মাস করে কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অভিযানে একটি এস্কেভেটর ও দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়। এস্কেভেটর আনার সুযোগ না থাকায় বিনষ্ট করা হয় ও ট্রাক দুটি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এসব অপরাধীদের দৌরাত্ম্যে একদিকে উর্বর জমি বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে নদী ও খাল ভাঙনের আশঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয়রা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এলাকার জীববৈচিত্র্য, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যও।

ফেনী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার বলেন, মাটি দস্যুদের দৌরাত্ম্যে ফেনী সদরে আশঙ্কাজনক হারে উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি জমি। হুমকির মুখে পড়ছে নদী-খাল। এ দস্যুরা রাতের আঁধারে সাবাড় করে দিচ্ছে ফসলি জমির ওপরের অতিগুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি সমৃদ্ধ মাটি (টপ সয়েল) এবং নদীর পাড়ের মাটি ও বালু। মাটি ব্যবসায়ীদের লুট থেকে বাদ যাচ্ছে না মালিকানা জমি, খাসজমি, খাল ও নদীর পাড়ও।

তিনি আরো বলেন, গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়ায় কৃষিজমি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। জমিতে বোরো ধান আর মৌসুমি চাষ করা হতো। গভীর গর্ত করে মাটি কাটায় ওই সব জমিতে দিন দিন ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এসব গণশত্রুকে রুখে দিতে হবে।

পড়ুন: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফেনীতে পালিত হলো জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

দেখুন: ১ হাজার টাকায় ফেনী ঘুরোঘুরি

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন