আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশু প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুর ও রূপগঞ্জের খামারিরা। আশানুরূপ লাভের প্রত্যাশায়, প্রাকৃতিক খাদ্য খাইয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তারা।
ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশু প্রস্তুতে ব্যস্ত মেহেরপুরের প্রায় ২৬ হাজার খামারি। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তারা। জেলাজুড়ে খামারের বাইরেও, কোরবানির জন্য ঘরোয়াভাবে গরু ও ছাগল প্রস্তুত করছেন স্থানীয়রা।
প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করায়, ভাল লাভের আশা করছেন খামারিরা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর জেলায় বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ২৬ হাজার ৪৭টি খামারে, মোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৫৩টি কোরবানিযোগ্য পশু লালন-পালন করা হয়েছে। যাদের সবধরনের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২৩টি খামারে প্রস্তুত হচ্ছে ৫ হাজার গবাদি পশু। যাদের বেশিরভাগই রাসায়নিক ও স্টেরয়েডমুক্ত এবং প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা।
সবুজ ঘাস, খড়, কুড়া আর ভুষি খাইয়ে গরু রিষ্ট পুস্ট করছেন খামারিরা। কিন্তু উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে ভয়াবহ লোকবল সংকটের কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। এবার ভারত থেকে গরু না আসার খবরে, পশু বিক্রি করে ভাল লাভের আশা করছেন খামারিরা।
পড়ুন: সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেখুন: ১ বছরে হবে ৩৬ রোজা, ৩টি ঈদ!
ইম/


