বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ব্যবহার করে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং করার প্রমাণ মিলেছে বিসিবির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দম্পতির বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। আর তার সহযোগি হিসাবে ক্লাব ক্রিকেট ধ্বংসের অন্যতম কারিগর হিসাবে বিসিবির সাবেক পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিকের বিরুদ্ধে সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আরও একটি মামলা হয়েছে।
একযুগ ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিলো নাজমুল হাসান পাপনের। দুদকের কাছে অভিযোগ রয়েছে, বোর্ডের একসময়ের প্রভাবশালী সাবেক এই সভাপতি শুধুমাত্র ক্রিকেটকেই ব্যবহার করে হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।
একসঙ্গে সংস্থাটির অভিযোগে বলা হচ্ছে, ক্লাব ক্রিকেট ধ্বংসের কারিগর হিসাবে কাজ করেন পাপনের আশীর্বাদপুষ্ট বেক্সিমকো ফার্মার কর্মকর্তা বিসিবির সাবেক পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক। ঢাকা লিগের চারটি বিভাগে ভোট বাণিজ্য ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে ক্লাব বাণিজ্য গড়ে তোলেন তারা।
এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে অবৈধ সম্পদের খোঁজে নামে দুদক। অনুসন্ধানে মিলেছে পাপন দম্পতির প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য। আর তিন কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ মিলেছে ইসমাইল হায়দার মল্লিকের।
এছাড়া, পাপনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), স্টেডিয়াম নির্মাণ, আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে, বিদেশী কোচ নিয়োগসহ নানা ক্ষেত্রে অর্থ আত্মসাতের বেশ বড় ধরণের অভিযোগ অনুসন্ধান চলমান রয়েছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তা।
সম্প্রতি এসব অভিযোগে মিরপুর বিসিবিতে অভিযান চালিয়ে নানা অসঙ্গতি খুঁজে পায় দুদক। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিশনে সুপারিশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

