চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিদেশি ও দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, পুলিশের পোশাক, ওয়াকিটকি, ইয়াবা ট্যাবলেট ও ডাকাতির সরঞ্জামসহ ছয়জন আন্তঃজেলা ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
তিয়রবিলা পুলিশ ক্যাম্পের এসআই (নিঃ) সুকান্ত দাশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, লক্ষীপুর বাজার থেকে খাসকররা যাওয়ার পাকা সড়কে একটি ডিজেল তৈলের দোকানের সামনে মাইক্রোবাসে একদল অস্ত্রধারী ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদুর রহমান ঘটনাস্থলে ফোর্স নিয়ে উপস্থিত হন এবং ঘিরে ফেলেন মাইক্রোবাসটি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিলেও সন্দেহজনক আচরণে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং একপর্যায়ে আক্রমণাত্মক হলে সবাইকে গ্রেফতার করে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান সোমবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আসামিরা হলেন—মো. রুবেল রানা (২৯), মো. আজিজুর মন্ডল (৩৬), মো. শিলন মোল্লা (২১), মো. সবুজ আলী মিঠু (৩০), মো. মনিরুল ইসলাম (৪০) ও মো. মারুফ শেখ (২০)। তারা কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দা।
তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশি পিস্তল (MADE IN USA), একটি রিভলবার, একটি ওয়ান শুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি চাইনিজ কুড়াল, একটি তালা কাটার যন্ত্র, পাঁচটি মাস্টার চাবি, একটি পুলিশের জ্যাকেট, একটি ওয়াকিটকি সদৃশ্য মোবাইল সেট, ৫০ পিস ইয়াবা, ছয়টি মোবাইল ফোন ও ঢাকা মেট্রো-গ-১২-৩০৯৭ নম্বরের একটি মাইক্রোবাস।
থানা সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। ডাকাতি করতে তাঁরা দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ ওই এলাকায় একত্র হয়েছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। ঘটনার পর আলমডাঙ্গা থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও মাদক আইনে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পড়ুন: আলমডাঙ্গা থানায় আটক যুবককে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় আদালতে হাজির
দেখুন: নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশের প্রাচীন ও দোতলা রেলস্টেশনটি |
ইম


