বাংলাদেশের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব চর্চায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আত্মপ্রকাশ করেছে ‘বাংলাদেশ ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা পরিষদ’ (BHARS)।
সোমবার (৫ মে) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই গবেষণা সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। অনুষ্ঠানে BHARS-এর গবেষকদের লেখা বইয়ের প্রদর্শনী, সংগঠনের প্রথম জার্নালের মোড়ক উন্মোচন এবং গবেষকদের স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, “সব থেকে কম বাক্যে লেখা গ্রন্থটি সাধারণ মানুষের উপহার দিবে এবং আমরা যেন ছোট শিশুদেরকে একটা গ্রন্থ উপহার দিতে পারি, রিজিম পরিবর্তনের পরেও যেন গ্রন্থটি ডিলিট করে না ফেলি এমন গবেষক তৈরি হোক এই ভার্সার মাধ্যমে। ভলতেয়ার পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে প্রজন্ম ইতিহাস জানে না, গুরুত্ব দেয় না তাদের অতীতও নাই ভবিষ্যৎও নাই। এ কে এম শাহনেওয়াজ স্যার শুধু গবেষক তৈরি করেন না, গবেষকদের প্রবন্ধ রচনা করেন এছাড়াও তিনি গবেষকদের সংসারও রচনা করেন। আমি স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”
সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনেওয়াজ বলেন, “আমরা এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের একটা জানালা খুলে দিতে চাই তারা যেন গবেষণার ধারাকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। আমি মনে করি ইতিহাস ঐতিহ্য চর্চায় যে শূন্যতা সেটি সামান্যতম হলেও এই প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা অনেক কিছু অবদান রাখতে পারবে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ইতিহাস অ্যাকাডেমির সভাপতি অধ্যাপক ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেলে হক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনেওয়াজ।
পড়ুন : জাকসুর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জাবিতে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা


