বিজ্ঞাপন

এখনই নির্বাচনের প্রয়োজন, সংস্কার শেষ পর্যায়ে: ফারুক

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বাংলাদেশের ৭৫ ভাগ মানুষ এখন নির্বাচন চায়। আর নির্বাচন বিলম্বিত নয়, এখনই নির্বাচনের প্রয়োজন। আর সংস্কারও শেষ পর্যায়ে।

বুধবার (৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ এবং সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী মাফিয়া অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে প্রতীকী অবস্থানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আপনি যদি একটি সুষ্ঠু ভোট করে দিতে পারেন, তাহলে দেশের মানুষ তার পছন্দের দলকে ভোট দিয়ে সংসদে নিয়ে যাবে। সেই সংসদে ৩১ দফা দাবি পূর্ণ বাস্তবায়ন করে দেশ পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, রাখাইনকে মানবিক করিডোর না দিয়ে, তাদেরকে মানবিকভাবে সহায়তা করার শক্তি বাংলাদেশের আছে। ইতোপূর্বে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সুনাম অর্জন করেছে। বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতারা বাংলাদেশের যে সম্পদ লুট করেছে, যদি এ সরকার চেষ্টা করে এই সম্পদগুলো উদ্ধার করে রাখাইনের জন্য একটা দ্বীপ রাষ্ট্র কিনে নিতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশে এমন সমস্যা সৃষ্টি করা যাবে না, যাতে আমরা আবারও কোনো ষড়যন্ত্রে পড়ে যাই। আবারও যেন আমাদেরকে এই করিডোর নিয়ে আন্দোলন করতে না হয়।

করিডোর ইস্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ফারুক বলেন, বিচার বিবেচনা করে যে দল আপনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকার গঠন করবে, সেই সরকারকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

জাতীয় নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান তালুকদারের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি ডা. মাইনুল ইসলাম বাদল তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রতীকী অবস্থানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: শেখ হাসিনাকে একদিনের জন্য হলেও জেলে যেতে হবে:ফারুক

দেখুন: ‘সংস্কার ছাড়া নির্বাচন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাথে প্রতারণা’

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন