১২/০২/২০২৬, ২২:৩৮ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ২২:৩৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভারতের ভাটিন্ডা বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের হামলা

ভারতের ভাটিন্ডা বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তান। শনিবার (১০ মে) সকালে জিওটিভি নিউজ এই তথ্য জানায়। সংবাদমাধ্যমটি পাকিস্তানের সামরিক সূত্রের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে।

জিওটিভি জানিয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান উল মারসুস’ পরিচালনা করছে। অভিযানে ফাতাহ মিসাইলসহ ভারী অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে। ভোরের দিকেই পাঠানকোট, উদমপুর এবং ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারে সফল আক্রমণ চালানো হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিযানের তীব্রতা বাড়ছে। এ সময় ভাটিন্ডা বিমানঘাঁটি ধ্বংস করার ঘটনাটি ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

পাঞ্জাবের ভাটিন্ডা শহর এবং মালওয়া অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হলো ভাটিন্ডা বিমানঘাঁটি। ভারতীয় বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা এই বিমানবন্দরের কাছেই স্থাপিত হয়েছে ভাটিন্ডা বিমানবন্দর, যা একটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত। ভিসিয়ানা শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত বিমানবন্দরটি ভিসিয়ানা বিমান বাহিনী স্টেশনের সিভিল এনক্লেভ হিসেবে পরিচালিত হয়। ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখানে সীমিত সংখ্যক বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে ফাতাহ-১ মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। এই অস্ত্রগুলো বিশেষভাবে সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে রাখা হয়নি।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, মঙ্গলবার (৬ মে) মধ্যরাতে ভারতের হামলায় পাকিস্তানের বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু হয়েছিল। পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা সত্ত্বেও ভারতের ক্রমাগত আক্রমণ তাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে।

‘বুনিয়ান উল মারসুস’ শব্দগুচ্ছ কোরআনের একটি আয়াত থেকে নেওয়া, যার অর্থ ‘সীসা গলিয়ে তৈরি এক অটুট প্রাচীর’। এটি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর শক্তি, ঐক্য এবং প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: হামলার আশঙ্কায় ভারতের ৩২ বেসামরিক বিমানবন্দর বন্ধ

দেখুন: ভারত VS পাকিস্তান: কে এগিয়ে? 

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন