25.3 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ২১:৪৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাজায় যুদ্ধ বন্ধ নয় : নেতানিয়াহুর

ইসরায়েল গাজার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে জানায়, আহত সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল না করা পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। তিনি বলেন, “হামাস যদি বলে—‘আমরা আরও ১০ জন জিম্মিকে মুক্তি দিতে চাই’, তাও আমরা যুদ্ধ বন্ধ করব না।”

বিজ্ঞাপন

নেতানিয়াহু আরও বলেন, “আমরা দুটি লক্ষ্য পূরণ করতে চাই—এক, হামাসকে নির্মূল করা এবং দুই, সব ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্ত করা। এ দুইটি লক্ষ্য একসঙ্গে বাস্তবায়িত হবে।” ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাতে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তার রাজনৈতিক জোটসঙ্গীদের আশ্বস্ত করেছেন যে হামাস যদি অস্ত্র ত্যাগ না করে, তাহলে ইসরায়েল কেবল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে, সেটিও নির্দিষ্ট কিছু বন্দি মুক্তির বিনিময়ে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাব। আমাদের সেনারা ইতোমধ্যেই গাজায় মোতায়েন রয়েছে এবং প্রস্তুত রয়েছে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের জন্য।”

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় বিষয়ে আলোচনার জন্য তার আলোচক দলকে কাতারের রাজধানী দোহায় পাঠিয়েছেন। মার্কিন কূটনীতিকদের মধ্যস্থতায় ওই দল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবে।

সোমবার হামাস ইসরায়েলি-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিক ইদান আলেক্সান্ডারকে মুক্তি দেয়। হামাস জানিয়েছে, এই মুক্তি ছিল ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ফল, যা চলমান যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত।

ইসরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৫৮ জন ইসরায়েলি বন্দি গাজায় আটক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২১ জন জীবিত বলে ধারণা করা হয়। অন্যদিকে, ইসরায়েলি কারাগারে ৯ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই বন্দিদের অনেকেই নির্যাতন, অনাহার এবং চিকিৎসা অবহেলার শিকার, যার ফলে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

পড়ুন: গাজা দখল করার খায়েশ ট্রাম্পের? 

দেখুন: গাজা দখল করার খায়েশ ট্রাম্পের? 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন