১৭/০২/২০২৬, ২৩:১৭ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১৭/০২/২০২৬, ২৩:১৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ ভেঙে স্বপ্ন বিলীনের প্রান্তে ২০ হাজার পরিবার

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার  ৯নং কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষগুলো আর স্বস্তিতে ঘুমাতে পারে না। নদীর গর্জন যেন প্রতিনিয়ত তাদের বুক কাঁপিয়ে তোলে। বশির হাওলাদারের বাড়ি থেকে শুরু করে মনির শিকদারের বাড়ি পর্যন্ত যত ঘরবাড়ি আছে—সব যেন এক অনিশ্চিত যাত্রায়, হওয়ার অপেক্ষায়।

এটা শুধু ঘরবাড়ি হারানোর ভয় নয়। এটা স্মৃতি হারানোর ভয়। ২০০৭ সালের ভয়াবহ সিডরের সময় এই এলাকার এই বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। সেই বিভীষিকাময় রাতে এক পরিবারের চারজন এবং আরেক পরিবারের তিনজন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই দিনের কথা আজও ভোলেনি কেউ।

বিজ্ঞাপন



টেকসই ভেরিবাধেঁর দাবীতপ মঙ্গলবার (২০ মে) দুপুর ১২টায় সেই ভয়াবহতা থেকে মুক্তির আশায় শত শত মানুষ দাঁড়িয়েছে লোহালিয়া নদীর রামনাবাদ তীরে ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধের উপর। হাতে ব্যানার, মুখে দাবি আমাদের বাঁধ চাই, বাঁচতে চাই । পুরুষ, নারী, এমনকি শিশুরাও দাঁড়িয়ে আছে একই কাতারে। কারণ সবার ভাগ্য এখন নির্ভর করছে এই একটি চাওয়ার উপর একটি টেকসই ভেরিবাঁধ।

এসময় এলাকাবাসীর মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ ছাইফুর রহমান ছাইদী, জাকির মোল্লা, মোঃ শফিকুল ইসলাম,  আজহার মাঝী, মোসা:জেবুন্নেছা সহ অন্যান্যরা।



এসময় বক্তারা বলেন, নদী গিলে নিচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎ। প্রতিদিন ভাঙনে আমাদের বাড়ি, ঘর, ফসল, মসজিদ, মন্দির ,গোরস্থান সব কিছু ভেঙ্গে চলে যাচ্ছে এই নদীর মধ্যে এ নদীতে আমাদের সকলের সপ্ন আমাদের সব নদীর মধ্যে চলে গেছে। রাতে ঘুমের মধ্যে দেখি আমাদের সব নদীতে ভেঙ্গে  নিয়ে যাচ্ছে ঠিক মতো ঘুমাতেও পারছি না সামনে বৃষ্টি এই সময় নদী উত্তাল হয়ে উঠে আর তখনই ভাঙ্গন হয় এই বৃষ্টি হওয়ার আগে দ্রুত এই বেড়িবাঁধটি নির্মাণের দাবি জানাই।



পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব বলেন, আমারা এলাকাটা পরিদর্শন করেছি।  আশা করতেছি শীঘ্রই ব্যবস্থা নিতে পারবো।

পড়ুন: পটুয়াখালীতে তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা শুরু

দেখুন: বেহাল পটুয়াখালীর বাস টার্মিনাল, ভোগান্তিতে যাত্রী 

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন