১৪/০১/২০২৬, ১৭:৩১ অপরাহ্ণ
25 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১৭:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মুন্সিগঞ্জে পত্রিকা বন্ধের হুমকিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মানববন্ধন

মুন্সিগঞ্জের স্থানীয় সংবাদভিত্তিক অনলাইন পত্রিকা ‘আমার বিক্রমপুরে’র সম্পাদক শিহাব আহমেদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে পত্রিকাটি বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেয় মুন্সিগঞ্জের জুুলাই শহিদ পরিবার ও আহত গেজেটেড জুলাই যোদ্ধাবৃন্দ।

এতে বিভিন্ন বয়সী অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ও নারী পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনকারীরা বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সাংবাদিক শিহাব আহমেদকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে তার পেশাগত দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনে মুন্সিগঞ্জে ৪-৫ জন সাংবাদিক মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন। তার মধ্যে শিহাব আহমেদ অন্যতম। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলেও তিনি সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লিখেছেন, এখনো সেই ধারাতেই আছেন। এতে অনেকের কাছে চক্ষুশুল হলেও জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধারা তার পাশে আছে।

‘এভাবে কারও ব্যক্তিগত চরিত্র হনন ও পেশাগত কাজে বলপ্রয়োগের চেষ্টা করা জুলাই চেতনার বিপরীত।’ – মন্তব্য করেন মানববন্ধনকারীরা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকায় নিহত মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার ছাত্রদল নেতা মানিক মিয়া শারিক চৌধুরীর পিতা আনিস চৌধুরী, ৪ আগস্ট মুন্সিগঞ্জ শহরে শহিদ সজল মোল্লার ভাই সাইফুল ইসলাম মোল্লা, নুর মোহাম্মদ ওরফে ডিপজলের মা রুমা বেগম, নানী শেফালি বেগম, খালু মো. কামাল কাজী, রিয়াজুল ফরাজীর বড় মেয়ে রিয়া মনি। জুলাই যোদ্ধা মুক্তার হোসেন, নাজমুল হাসান শাওন, সীমান্ত হাসান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত; গত ১৬ মে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ‘মুন্সিগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে সাংবাদিক শিহাব আহমেদকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ ট্যাগ দিয়ে তার সম্পাদিত আমার বিক্রমপুর অনলাইন পত্রিকা বন্ধ করে দেয়ার দাবি তোলা হয়।

পড়ুন: শুধু কাগজে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবে থেমে নেই সাগরে জাল ফেলা!

দেখুন: বাস্তবতা মাথায় রেখে কর্মপন্থা ঠিক করতে চায় বিএনপি | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন