দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে বোরো ধান কাটার উৎসব। কিন্তু বৈরি আবহাওয়া, উৎপাদন খরচের চাপ আর বাজারে ধানের কম দাম—এই তিন শঙ্কায় কৃষকেরা। ধানের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশ তাঁরা।
দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে ১ লাখ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। উচ্চফলনশীল ব্রি ধান-৯০ চাষ করে প্রতি একরে ৮৫ থেকে ৯০ মন ধান পাচ্ছেন কৃষকরা। তবে টানা বৃষ্টিতে ধান কাটতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। ধানের দামও নেমেছে—প্রতি মন ১৪০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায়।
তবে ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা হচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে, এতে সাশ্রয় হচ্ছে সময় ও খরচ। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।
মেহেরপুরে এবার বোরো মৌসুমে জেলার ১৯ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে ধান চাষ হয়েছে। ফলন সন্তোষজনক হলেও ধান চাষে খরচ বেড়ে গেছে।
এবছর ভালো আবহাওয়ায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা কৃষি বিভাগের।
মৌলভীবাজারে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪০ হেক্টর বেশি জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে। হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও, কৃষকরা হতাশ ন্যায্য দাম না পাওয়ায়।
কৃষি অফিস থেকে কোন সহযোগীতা না পাওয়ার অভিযোগ কৃষকদে। তবে সরকারি দাম পাওয়া নিশ্চিত করার কথা বলছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
দিনাজপুর, মেহেরপুর ও মৌলভীবাজার—তিন জেলাতেই এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবু কৃষকদের মধ্যে লাভ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তারা চাইছেন ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ।
এনএ/


