গ্যাস সংকটে বিপর্যয়ের মুখে শিল্পখাতে উৎপাদন। বিশেষ করে, পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে উৎপাদন মারাত্বক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, বাধ্য হয়ে অনেককে বিমানে পণ্য পাঠাতে হচ্ছে ক্রেতাদের কাছে। এদিকে, বাসা-বাড়ি ও পরিবহনেও চলছে একই সংকট।
এই দৃশ্য, রাজধানীর সিএনজি পাম্পগুলোর। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে থাকতে হচ্ছে পরিবহন চালক ও মালিকদের। তারপরও প্রেসার না থাকায়, যতটুকু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, তাও সামান্য।
গত তিন সপ্তাহ ধরে, তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। বাসা বাড়ি, সিএনজি স্টেশন কিংবা শিল্প, বিপযয়ের মুখে সব খাত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগে থেকে চলা সংকট গত তিন সপ্তাহে প্রকট রূপ নিয়েছে।
শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন অনেকটা কমে গেছে। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের ঠিক করা সময় মেনে পণ্য রপ্তানি আটকে যাচ্ছে। ক্রেতার আস্থা ঠিক রাখতে তাই পণ্য পাঠাতে হচ্ছে বিমানে। দাম বাড়িয়েও সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
গ্যাস যে থাকছে না কেবল তাই নয়, উৎপাদন সচল রাখতে যতটুকু চাপ থাকা দরকার সেটিও পায় না কারখানাগুলো। শিল্প মালিকরা বলছেন, এর মধ্যে ঈদ আসছে, শ্রমিক-কর্মীদের বেতন বোনাসের চাপ সামাল দিতে হবে তাদের।
উদ্যোক্তারা বলছে, টেক্সটাইল, পোশাক সংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগ প্রায় সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকা। তবে, জ্বালানি নিয়ে তারা কোন টেকসই পরিকল্পনা দেখছে না। ফলে বিনিয়োগ যেমন ঝুকিতে, ঝুকিতে দেশের অর্থনীতিও।
এনএ/


