লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের শামুটারি রেলগেট সংলগ্ন একমাত্র পানি নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ করে রেখেছে কাজী আব্দুস সালাম এর বিলাসবহুল বাড়ি এতে কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছে ৫-৭ তারিখ পরিবার।
আজ শুক্রবার(২৩ মে) বিকেলে সরজমিনে সেই স্থানে গেলে দেখা যায় যে সেই গ্রামের মানুষেরা চরম ভোগান্তিতে জীবন যাপন করছে।
পুকুর থেকে বের হয়ে গেছে মাছ,জলাবদ্ধতায় মুরগির খামার নিয়ে বিপাকে পড়েছে খামারিরা,বাসা বাড়িতে রান্নার চুলা বন্ধ রাখা হয়েছে,দুষিত হচ্ছে পানি,পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ,শিশু বাচ্চাদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে মায়েরা যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
ভুক্তভোগী একটি পরিবারের সদস্য আবদুল হাকিম জানায় যে,আমার পুকুর থেকে লক্ষাধিক টাকার মাছ ভেসে গেছে পাশাপাশি আর ও ৬টি পুকুরের মাছ ভেষে গেছে এবং আমরা ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
যুব উদ্যক্তা আজিজুল ইসলাম জানায় যে আমার মুরগীর খামার নিয়ে আমি বিপদে রয়েছি,অনেক যত্নে গড়া আমার পুকুর ও মুরগীর খামারের মুরগী গুলো অসুস্থ হয়ে গেছে এবং এদের পয়:নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে এতে গন্ধ ও জীবানু ছড়িয়ে পড়ছে,আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেলো।
সোহানুর রহমান জানায় যে আমার দুইটি পুকুরের প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার মাছ নষ্ট হয়ে গেছে,নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে আমার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন মাছ চাষ এতে আমি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
একই এলাকার মিনা বেগম জানায় আমার বাসায় পানি উঠায় আমরা তিনদিন যাবৎ চুলা জালাতে পারি নাই।
বিলাশ বহুল বাড়িটির মালিক ও আল আকশা হজ্ব ট্রাভেলসের এজেন্ট কাজী আবদুস সালামের বাড়িতে গেলে দেখা না পেয়ে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে এই ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে লালমনিরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসে প্রায় দুই শতাধিক মানুষের সাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীতা দাশ জানায় “আমি একটি স্মারক লিপি পেয়েছি এবং আমাদের প্রশাসনকে পাঠিয়েছি সরজমিনে তদন্ত করার জন্য এবং শনিবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনএ/


