বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে বেতকাটা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নতুন সভাপতি নিয়োগকে কেন্দ্র করে। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ ওহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়ার বিরোধিতা করে এক পক্ষ সংবাদ সম্মেলন করেছে, অপরদিকে ওহিদুল ইসলামের সমর্থকেরা এই সংবাদ সম্মলনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোব মিছিল করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মো. ওহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দোসর ও বিতর্কিত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও তাকে বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওহিদুল ইসলাম অতীতে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে মামলার মাধ্যমে নিরিহ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ফরিদুল ইসলাম তার অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
এই অভিযোগের পাল্টা জবাবে শনিবার বিকেলে বেতকাটা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে ওহিদুল ইসলামের সমর্থকেরা।
তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ওহিদুল ইসলামের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে ওহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
রাজনৈতিকভাবে আমাকে বাদ দেওয়ার জন্য মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সামনে ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন রয়েছে, যেখানে আমি সভাপতির প্রার্থী। প্রতিপক্ষরা তাই অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান তুহিন জানান, “ওহিদুল ইসলাম এবং ফরিদুল ইসলাম দুজনই আমাদের দলের সাবেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এই মুহূর্তে আমাদের নিজেদের মধ্যে বিভেদ না করে, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে দলের জন্য কাজ করাই জরুরি।”
পড়ুন: বাগেরহাটে যুবদলের মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত
দেখুন: বাগেরহাটে পৌরসভার বেশিরভাগ রাস্তার বেহাল দশা
এস


