কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের দুই জেলায় তারকাখ্যাতি পেয়েছে টাইগার ও তুফান। ঝিনাইদহের গোসাইডাঙ্গা গ্রামের বিশালদেহী গরু টাইগার, বিক্রির জন্য প্রস্তুত ১৫ লাখ টাকায়। আর নোয়াখালীর ষাঁড় তুফানকে ঘিরে রয়েছে জাতীয় প্রজনন কর্মসূচির পরিকল্পনা।
শৈলকুপার গোসাইডাঙ্গা গ্রামে, এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রে বিশালদেহী গরু টাইগার। গায়ের রং, মাথায় সাদা দাগ আর ২০ মণের বেশি ওজনের এই গরু ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। টাইগারকে সন্তানের মতো আদর-যত্নে বড় করেছেন মালিক সবুজ মিয়া। ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকা এই গরুটিকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন স্থানীয়রা।
গরুর মালিককে সব ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এদিকে, নোয়াখালীর বিশালাকৃতির ষাঁড় তুফান এখন আলোচনার শীর্ষে। খামারি ডা. আবুল কালাম আজাদের আদর-যত্নে বড় হওয়া এই গরুটিকে সিমেন সংগ্রহ করে জাত উন্নয়নে ব্যবহার করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তুফানকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন স্থানীয়সহ দূরদূরান্তের মানুষ। দর্শনার্থীরা বলছেন, সরকার গো-সম্পদ উন্নয়নে উদ্যোগ নিলে তরুণদের মাঝেও খামার গড়ার আগ্রহ বাড়বে।
তুফান জেলার সবচেয়ে বড় গরু হওয়ায় প্রজনন বৃদ্ধির জন্য সরকারিভাবে কেনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
দেশি প্রজনন ব্যবস্থায় সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলতে পারে এ জাতের গরুগুলো। তাই শুধু হাটে বিক্রির জন্য নয়, দেশের জাতীয় গো-সম্পদ উন্নয়নে হতে পারে একটি বড় সম্ভাবনা।
এনএ/


