আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দেশের পশু খামারগুলোতে ব্যস্ত সময় করছেন খামারিরা। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু মোটাতাজা করছেন তারা। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু থাকলেও, ন্যায্য দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য ও ছবিতে, আরও জানাচ্ছেন সুলতানা মরিয়ম।
ঈদ-উল-আযহা সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে, দেশীয় উপায়ে ষাড় মোটাতাজাকরণ চলছে পুরোদমে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছর এখানকার পশু বিক্রি হয় দেশের বিভিন্ন হাটে। তবে এবার গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও ভারতীয় গরু আসার শঙ্কায় খামারিরা।
দেশীয় উপায়ে মোটাতাজা করা ষাড় ভালো দামে বিক্রির আশা করছেন তারা। তবে হাটে ভারতীয় গরু ঢুকলে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কায় আছেন প্রান্তিক খামারিরা।
চলতি বছরে সিরাজগঞ্জে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার পশু মোটাতাজা করার কথা জানান জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা।
এদিকে, টাঙ্গাইলে চাহিদার চেয়ে বেশি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভ নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা। দেশীয় পশুর ন্যায্য দাম এবং বিদেশি গরু প্রবেশ বন্ধের দাবি তাদের।
টাঙ্গাইলে কোরবানীর জন্য চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত ও খামারিদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ হাটে ভেটেরিনারী টিম থাকার কথা জানান এই কর্মকর্তা।
সরকারি তদারকি ও সহযোগিতায় খামারিরা যেন নিরাপদ ও ন্যায্য মূল্যে কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারবে, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এনএ/


