সোমবার নতুন বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের প্রস্তাবিত আকার হতে পারে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংসদ কার্যকর না থাকায়, টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে, অন্তবর্তী সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হবে।
জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর থেকে সংসদ ব্যবস্থা কার্যকর নেই। ফলে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সংসদে উপস্থাপনের সুযোগ নেই অর্থ উপদেষ্টার।
বিগত বছরগুলোর রেওয়াজ, বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ হয়। তবে রেওয়াজ ভেঙে, সোমবার বিকেলে অর্থ উপদেষ্টা এবার তা পেশ করবেন। আর বাংলাদেশ টেলিভিশনে বক্তৃতা দিয়ে, তা উপস্থাপনের ব্যবস্থা। আকার হতে পারে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, সে হিসেবে আকার কমছে এবার ৭ হাজার কোটি টাকা। তবে, অন্তবর্তী সরকার, ১০টি খাতে বাড়তি গুরুত্ব দিতে চায়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর কাঠামোর সংস্কার। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা মানুষকে স্বস্তি দিতে, এবার এর হার সাড়ে ৬ শতাংশ নামিয়ে আনার চিন্তার কথা জানাবে অর্থ উপদেষ্টা।
২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। আর সরকার মনে করছে, নতুন অর্থবছরে অর্থনীতির আকার বাড়বে সাড়ে ৫ শতাংশ। তবে, কর মুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে, ফ্রিজ, মোবাইল ফোন, পণ্য পরিবহনের গাড়ি, কসমেটিকস, বিদেশি চকলেটের দাম বাড়তে পারে নতুন অর্থবছরে। বিপরীতে চিনি, লবন, আইসক্রীমের দাম কিছুটা কমতে পারে, কারণ এসব পণ্যে শুল্ক কর কিছুটা কমতে পারে।
এনএ/


