টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। ফাটল ধরেছে একাধিক বেরিবাঁধে, তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে নদী তীরবর্তী মানুষ। যাদের অনেকেই ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন নিরাপদ স্থানে।
শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার বিভিন্ন নদ–নদীর পানি বাড়ছে। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১২৮ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে। ইতোমধ্যেই সোমেশ্বরি ও কালঘুষা নদীর বাঁধ ভেঙে, অন্তত পাঁচটি গ্রামে পানি ঢুকেছে।
গুরুত্বপূর্ণ ভায়াডাঙ্গা-ঝিনাইগাতি সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলোর যথাযথ সংস্কার না করায় এই পরিস্থিতি।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ি ঢলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী উপজেলা আখাউড়ার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি উঠেছে স্থলবন্দর এলাকায়ও। এতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়াসহ সবজি ক্ষেত, পুকুর, রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ত্রিপুরার হাওড়া নদীর পানি বিপৎসীসার ৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে অতিক্রম করছে। আর সেই পানি বাংলাদেশে ধেয়ে আসছে।
নেত্রকোণায়ও নদ নদী ও হাওরের পানি বাড়ছে। এতে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নদ-নদী ও হাওরের পানি বাড়লেও, প্রধান প্রধান নদীর পানি এখনও বিপদ সীমার নীচে আছে।
এনএ/


