শেয়ারবাজারকে গতিশীল করতে নানা প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার ছাড়া, ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে করহার ব্যবধান বাড়ানো, সিকিউরিটিজ হাউজের উৎসে কর কমানোসহ হ্রাস করা হয়েছে মার্চেন্ট ব্যাংকের করহার।
দীর্ঘ মন্দায় আটকে থাকা শেয়ারবাজারকে টেনে তুলতে করহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। (গ্রাফিক্স) প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও লেনদেন বাড়াতে সিকিউরিটিজ হাউজের উৎসে কর ০.০৫% থেকে কমিয়ে ০.০৩% করা হয়েছে।
দেশী-বিদেশী লাভজনক ও নামীদামি কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে লিস্টেড এবং নন-লিস্টেড কোম্পানির করহারের ব্যবধান ৫% হতে বাড়িয়ে ৭.৫% করা হয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংকের করহার ৩৭.৫% থেকে কমিয়ে ২৭.৫% নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার দেয়া ৫ নির্দেশনা বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা।
এদিকে পুঁজিবাজার বান্ধব হওয়ায় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ডিভিডেন্ডের করহার কমানোর দাবি ডিবিএ প্রেসিডেন্টের।
গত সরকারের অনিয়ম, কারসাজি ও দুর্নীতির ফলে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত পুঁজিবাজারে পুনরায় গতি ফেরাতে কাজ করছে সরকার। দিচ্ছে নানা প্রণোদনাও। তাই সামনের শেয়ারবাজার নিয়ে আশাবাদি বিনিয়োগকারীরা।
এনএ/


