২৬/০২/২০২৬, ২০:৫৬ অপরাহ্ণ
23.3 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২০:৫৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, তিন শিক্ষার্থী নিহত

নওগাঁর পত্নীতলায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন শিক্ষার্থীর সবাই মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনার পর রাতেই দুইজনের মৃত্যু হয় এবং আজ (বুধবার) সকালে মারা যান আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরেকজন।

দুর্ঘটনাটি ঘটে পত্নীতলার পার্বতীপুর মোড়ে মহাদেবপুর-পত্নীতলা আঞ্চলিক সড়কে।

নিহত তিন শিক্ষার্থী হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকার সুনিবির আশরাফ (১৭), হৃদয় হোসেন (১৭) ও সাদনান সাকিব (১৭)। তারা তিনজনই বন্ধু এবং একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে করে নজিপুর বাজারে ঘুরতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যায় পার্বতীপুর মোড়ে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের পেছনে সজোরে ধাক্কা খায় তাদের মোটরসাইকেলটি।

স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে উদ্ধারকর্মীরা তাঁদের পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সুনিবির আশরাফকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত হৃদয় ও সাদনানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে রাতেই হৃদয়ের মৃত্যু হয়।

আজ বুধবার সকালে রাজশাহীতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাদনান সাকিব। তিন বন্ধুর একসঙ্গে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মহাদেবপুরের মাস্টার পাড়ায়।

তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন রেজা বলেন, ওই তিন শিক্ষার্থীর বাড়ি মহাদেবপুরে। সড়ক দুর্ঘটনায় রাতে দুইজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন। আজ সকলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ওই শিক্ষার্থীও মারা গেছেন।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েতুর রহমান বলেন, বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। ওই বাসের পেছনে গিয়ে ধাক্কা দেয় মোটরসাইকেলটি। ঘটনার পর একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকিদের হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদেরও মৃত্যু হয়। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন: ঢাকাসহ ১২ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেখুন: গতবারের চেয়ে এবার কোরবানির পশু বেড়েছে ২ লাখ 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন