আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে, জমে উঠেছে দেশের কোরবানির পশুর হাটগুলো। দিনাজপুর, ফরিদপুর ও লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে পশুর সরবরাহ, চলছে জমজমাট কেনাবেচা। তবে গরুর দাম নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ৬৮টি হাটে কোরবানীর জন্য প্রস্তুত ৪ লাখ ৬ হাজার গবাদিপশু। এবার বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর বেশি চাহিদা রয়েছে। তবে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় বিক্রেতারা।
সুস্থ ও রোগমুক্ত পশু বিক্রি নিশ্চিত ও ভারতীয় গরু ঠেকাতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ৩৮টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
ঈদ উপলক্ষে ফরিদপুরের হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাবেচায় ব্যস্ত খামারিরা। দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ থাকলেও, বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। এবছর জেলায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২০টি পশু কোরবানীর জন্য প্রস্তুত, যা চাহিদার চেয়ে ৩ হাজার বেশি।
কোরবানীর ঈদকে ঘিরে জেলার পশুর হাটগুলোতে রোগমুক্ত পশু বেচাকেনা ও হাটে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
কোরবানির ঈদ কাছে আসতেই লক্ষ্মীপুরের পশুর হাট জমজমাট হয়ে উঠেছে। এদিকে, বৃষ্টির কারণে গরু ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বেড়েছে। জেলায় এবছর ১ লাখ ৩৯ হাজার পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত, যা চাহিদার চেয়ে বেশি। এবার দাম কম থাকায় ক্রেতারা খুশি, তবে ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা।
আসন্ন ঈদকে ঘিরে শেষ মুহূর্তে জমজমাট হয়ে উঠেছে পশুর হাটগুলো। চাহিদার তুলনায় বেশি গরু ও দাম কম থাকায় ক্রেতারা খুশি। তবে, ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।
এনএ/


