চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে কয়েকটি গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। এরা মূলত: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের অনুসারী।
৬ জুন শুক্রবার ঈদুল আযহা’র প্রথম জামাত সকাল ৮টায় সাদ্রা ঈদগাঁ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাতের ইমামতি করেন মাওলানা যাকারিয়া আল মাদানি। তারা ১৯২৮ সাল থেকে সৌদিআরবের সাথে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আযহাসহ ইসলামী বিধানগুলো উদযাপন করে আসছে। এদিন সবচেয়ে বড় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সোয়া ৮টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আরিফুর রহমান সাদ্রাভী। এ ছাড়াও হাজীগঞ্জের সমেশপুর, বলাখালসহ কয়েকটি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আযহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
১৯২৮ সাল থেকে হাজীগঞ্জের রামচন্দ্রপুর মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা পালন উদযাপন শুরু করেন। এরপর থেকে চাঁদপুরের প্রায় ৪০ গ্রামের মানুষ রোজা ও আগাম ঈদ পালন করে আসছেন। তবে তাঁরা বলছেন, সৌদিআরব নয়, চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করেই রোজা ও ঈদ পালন করে থাকেন। হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার কয়েকটি গ্রামে মাওলানা ইছহাক চৌধুরীর অনুসারীরা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।
এ বিষয়ে সাদ্রা দরবার শরীফের বর্তমান পীর মাওলানা আরিফুর রহমান সাদ্রাভী সংবাদিকদের বলেন, সৌদিআরব নয়, কোরআন ও হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আমরা ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো উদযাপন করে থাকি। তিনি বলেন, বিতর্কের কিছুই নেই। আমরা কোরআন হাদীস অনুযায়ী চাঁদ দেখে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। একদিন না একদিন সবাই আমাদের সিদ্ধান্তের সাথে এক হবেন।
পড়ুন: চাঁদপুরে ২শ’ ড্রামের ওপর ধনাগোদা নদীতে ভাসমান রেষ্টুরেন্ট
দেখুন: এসডিএস এর আর্থিক সহায়তা পেলো চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরের বন্যার্তরা
এস


