১২/০২/২০২৬, ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্বস্তিতে যাত্রীরা, আঞ্চলিক সড়কে অস্বস্তি

ঈদের আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকী। এরই মধ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা শহর থেকে লোকজন বাড়ী ফিরছেন। প্রতিবছর এসময়টাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৪ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রচন্ড যানজট সৃষ্টি হতে দেখা গেলেও এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরা মাঠে তৎপর। মানুষ যানজট মুক্ত ও স্বস্তিদায়ক ভাবে বাড়ী ফিরছেন। তবে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে রয়েছে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছাড়াও কুমিল্লা জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-নোয়াখালী ও কুমিল্লা-চাঁদপুর এই তিনটি আঞ্চলিক মহাসড়ক। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক। এ বছর ঈদকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সড়ক গুলোতে মাঝে মাঝে যানজট দেখা দিলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৪ কিলোমিটার এলাকায় কোথাও যানজট নেই, স্বস্তিতেই পাড়ি দিচ্ছেন মানুষ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরা মাঠে তৎপর রয়েছেন। তারা বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়েছে।

ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসা নগরীর রেইসকোস এলাকার বাসিন্দা কাশেদুল হক চৌধুরী জানান, আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় রওনা দিয়ে সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা পৌছাই। সাধারন দিনের তুলনায় এবারের ঈদ যাত্রায় সময় আরো কম লেগেছে। স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছি।

আবুল বাশার নামে আরেক যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লায় স্বস্তিতে আসলেও বাড়তি ভাড়া রাখার অনেক অস্বস্তি লেগেছে। এশিয়া লাইনসহ প্রতিটি বাসে বাড়তি ভাড়া রাখছে। প্রতিবাদ করতে বাসে উঠতে দিচ্ছেনা।

সাইফ উদ্দিন নামে এক যাত্রী জানান, ঢাকা থেকে কুমিল্লায় দু ঘন্টায় চলে আসি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্বস্তিতে আসলেও কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার যেতে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে অনেক জ্যাম পড়েছি। ৩০ মিনিটের জায়গায় দেড় ঘন্টা লেগেছে।

যাত্রীবাহী বাস এশিয়া লাইনের চালক মোঃ হাসান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় একবারে যানজট মুক্ত সড়কে গাড়ি চালাচ্ছি। অন্যান্য বারের চেয়ে এবার অনেক বেশি স্বস্তিতে চালক ও যাত্রীরা।

কামাল হোসেন নামে সুগন্দা বাসের চালক জানান, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার, পান্নারপুল, কোম্পানীগঞ্জ এবং নবীনগর সড়কের গাজীর হাট, বাংগরাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মাঝে মাঝে যানবাহনের চাপ রয়েছে। বিশেষ করে বাজার এলাকাগুলোতে জ্যামে পড়তে হচ্ছে।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন জানান, মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত টহল দিচ্ছে সেনা বাহিনী, র‌্যাব ও জেলা পুলিশের সদস্যরা। ফলে সড়ক মহাসড়ক গুলোতে এবার যুক্ত হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কুমিল্লা রিজিওন এর অতিরিক্ত ডিআইজি খাইরুল আলম বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তথ্য মতে দেশের ব্যস্ততম এই মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানজট প্রবণ ১৭টি হটস্পট রয়েছে। চিহ্নিত সেসব স্থানে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। ১০৪ কিলোমিটার এলাকার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রায় এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য নিয়োজিত আছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিবিঘ্ন করতে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদকে কেন্দ্র করে মহসড়কে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করায় খুশি এসব মহাসড়কে চলাচলকারীরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কুমিল্লায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন