গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামে ৪ হাজার ৯০৯ একর জমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে গাজীপুর সাফারি পার্ক। নানা জীব বৈচিত্র্য আর প্রাকৃতিক পরিবেশ সমৃদ্ধ পার্কটি দেখতে দুরদুরান্ত থেকে ভীড় করেন দর্শানার্থীরা। বিশেষ দিনে সংখ্যা বেড়ে যায় কয়েকগুন। কিন্তু ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে পার্কে দর্শনার্থী ছিলো তুলনামূলক কম।
পার্কে প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। তবে ১২ বছর পর্যন্ত দর্শনার্থীদের প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা এবং পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য টিকিটের মূল্য নেওয়া হয় ১০ টাকা।
ঈদের দ্বিতীয় দিনে গাজীপুর সাফারি পার্ক রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সাফারি পার্কে ছিল হাতে গুনা। তবে যারাই এসেছেন প্রচন্ড গরম ও কোর সাফারিতে গাড়ী স্বল্পতায় ভোগেছেন তারা।
পার্কের প্রধান ফটকে দেখা যায়, টিকিটের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন দর্শনার্থীরা। ফটকের বাইরে উন্মুক্ত মাঠে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। সেখানে খাবারের দোকান ছাড়াও ঘোড়ায় চড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আলাদা বেষ্টনীতে কোর সাফারিতে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীরা লাইনে টিকিটের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। কোর সাফারিতে বাঘ, ভালুক, সিংহ, জেব্রা, জিরাফসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণী আছে। দর্শনার্থীদের নিয়ে প্রাণীদের বেষ্টনীর ভেতর ঘুরছে ৬টি মিনিবাস। বাস স্বল্পতার কারণে কোর সাফারীতে ঢুকতে ঘন্টার পর ঘন্টা।লাইনে দাড়িয়ে আছেন দর্শনার্থীরা।
সাফারি কিংডমে প্রবেশের পরই চোখে পড়েছে আলাদা টিকিট কাটার বুথ। সেখান থেকে টিকিট কেটে দর্শনার্থীরা দেখেছেন ম্যাকাও, টিয়া, ঘুঘুসহ বিভিন্ন বিদেশি পাখি। কেউ কেউ আবার ম্যাকাও পাখির সঙ্গে সেলফি তুলেছেন। এতে দর্শনার্থীরা যে যার মতো করে আনন্দ উপভোগ করেছেন।
সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যাশার চাইতে এবার দর্শনার্থী মিছুটা কম। লম্বা ছুটি হওয়ায় সামনের দিনগুলোতে দর্শনার্থী বাড়ার আশা করছেন তিনি।
প্রধান ফটক সহ অনেক জায়গায় ঠিকাদার না থাকায় সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা -কর্মচারীরা এবং তারা জড়িয়ে পড়ছে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে। উর্ধতন কতৃপক্ষ পার্কটি সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পরিচালনায় পদক্ষেপ নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

