বিচ্ছিন্ন দুই একটি ঘটনা ছাড়া, দেশের ৬০ উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে ভোটগ্রহণ। তবে, কেন্দ্রে যেতে মানুষের তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি। কয়েক জায়গায় ঘটেছে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও আটকের ঘটনাও।
সকাল থেকেই দেশের ৬০ উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবেই চলে ভোট গ্রহণ। তবে কুমিল্লার মাথাভাঙা ইউনিয়নের জগন্নাথকান্দিতে ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালালে, দুই পক্ষের মধ্যে বেঁধে যায় সংঘর্ষ। এতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩জন আহত হন।
রাজশাহীতে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের হাতাহাতি হয়েছে। ইউসুফপুর, মোক্তারপুর ও চারঘাট ভোটকেন্দ্রে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এই মারামারি হয়। আহত হন বেশ কয়েকজন। এছাড়া, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে, একজনকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ভোটকেন্দ্রে ঘোড়া প্রতিকের এজেন্টকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনে ভোট চলাকালীন এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকের উপর হামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় রয়েছে বন্যার পানি। এর মধ্যেই ভোট দিয়েছে মানুষ। তবে, সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য নয়।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় কেন্দ্রে ভোটার ছিল কম। রংপুরের বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জের কেন্দ্রগুলোও নিরিবিলি। ময়মনসিংহের তিন উপজেলায় পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ। টাঙ্গাইলে ৪টি উপজেলায় ভোট হয়েছে কঠোর নিরাপত্তায়।
কুমিল্লা, নওগাাঁ ও বগুড়ায় ৩টি করে উপজেলায় ভোট হয়েছে। হবিগঞ্জ, যশোর সদর ও ফরিদপুরে ভোট হয়েছে দুই উপজেলায়। সবখানেই কেন্দ্রে ভোটার খরা।
বরগুনার দুই উপজেলায় ভোট হয়েছে, তবে ভোটারের আগ্রহ কম। ভোলার মনপুরা ও চরফ্যাশনে নির্বাচনের পরিবেশ উৎসবমুখর। সব মিলিয়ে পটুয়াখালী, জামালপুর, নীলফামারী, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের ৬০ উপজেলায় হয়েছে ভোট।


