পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় গ্রামীন ফোনের টাওয়ারের চূড়া থেকে সীমা আক্তার নামে ১৫ বছরের কিশোরকে উদ্ধার করছে দশমিনা ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা।
আজ রবিবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ দিকে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী বাজারের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধারকৃত সীমা আক্তা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের সেরনিয়াবাত বাড়ির মোঃ জাহাঙ্গীর এর বড় মেয়ে। সীমা আক্তার ৬ বছর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সেরনিয়াবাত বাড়ির জাহাঙ্গীরের বড় মেয়ে সীমা আক্তার তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সীমা। সারারাত পরিবার ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির পরে রবিবার সকাল বেলা এলাকায় এক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এর পরে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে বেতাগী বাজারে স্থানীয় এক অটো রিক্সাচালক দেখতে পায় গ্রামীণফোন টাওয়ারের চূড়ায় কেউ এক জন বসে আছে । এরপর সে শুনতে পায় ওই বাড়ির সীমাকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে ওই বাজারের ব্যবসায়ীরা সীমার বাবা মাকে ফোন দিয়ে জানায় তাদের মেয়ে সম্ভবত বাজারে টাওয়ারের চূড়ায় বসে আছে।
পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ ও উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তাৎক্ষণিক সীমাকে উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। উদ্ধারের সময় ওই কিশোরী ভয় পাওয়া পরে তার আপন চাচা আসাদুল ইসলামের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় তারা।
দশমিনা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মোঃ আনোয়ার হোসেন জানাল, বেলা সোয়া ১১টার দিকে ৯৯৯ এবং স্থানীয়দের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামীন ফোন টাওয়ারের চূড়া থেকে দুই ঘন্টার প্রচেষ্টায় ওই কিশোরকে উদ্ধার করি। উদ্ধারের পরে তাকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করি।
এনএ/


