১২/০২/২০২৬, ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কুমিল্লায় প্রেমিকের খোঁঁজে বেরিয়ে গণধর্ষণের শিকার এক তরুণী, গ্রেপ্তার ৩

কুমিল্লার লাকসামে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন— লাকসাম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পেয়ারাপুর দক্ষিণপাড়ার আবুল বশরের ছেলে এনায়েত রহমান সাক্কু (১৯), উপজেলার বড়তুপা গ্রামের মকবুলের ছেলে সাগর (২৬), কিশোর গঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার চরকাওনা গ্রামের বাদলের ছেলে স্বপন মিয়া (২১)।

বিজ্ঞাপন

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


পুলিশ জানায়, গত ৮ জুন ভুক্তভোগী তরুণী তার প্রেমিককে খোঁজতে লাকসাম বাজারে যান। এ সময় এনায়েত রহমান সাক্কু নামে এক অটোচালকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ওই তরুণী সাক্কুকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিককে খোঁজতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে না পেয়ে রাত ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ পাশে প্লাটফর্মের সিঁড়িতে বসেন দুজন। এ সময় তিন যুবক তাদের উত্যক্ত করলে সাক্কু নিজেকে ওই তরুণীর স্বামী হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর যুবকরা সাক্কু ও তরুণীকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রেলস্টেশনে বসিয়ে রাখে।

এক পর্যায়ে সাক্কু ওই যুবকদের জানান, তিনি ওই তরুণীর কেউ নন। পরে সাক্কুসহ তিন যুবক তরুণীকে সেখান থেকে রেললাইনের পূর্বপাশে একটি পরিত্যাক্ত টিনের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি ধর্ষিতা তরুণী পুলিশকে অবগত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই বাদী হয়ে সোমবার (১৬ জুন) রাতে চারজনকে আসামি করে লাকসাম থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাক্কু, সাগর ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, ধর্ষণে অভিযুক্ত তিন জনকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আপর আসামী খোরশেদকে (২৬) গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পড়ুন : কুমিল্লায় ঈদ উপলক্ষে এতিম শিশুদের গরু উপহার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন