চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিক্ষক সংকট নিরসন ও বেকারত্ব রোধে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবিতে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে নিবন্ধন প্রত্যাশীরা।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে ১৮তম বৈষম্য বিরোধী চারু ও কারুকলা নিবন্ধন প্রত্যাশি পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল। নেতৃত্ব দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক (চলতি দায়িত্ব) মাহফুজার রহমান।
স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার লিখিত ফলাফলে চারু ও কারুকলা বিষয়ে ব্যাপক অসঙ্গতি ও অনিয়ম রয়েছে। ফলাফল প্রকাশে বৈষম্যের কারণে প্রার্থীরা ন্যায্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের ২৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের ৩৭.০৫.০০০০.০১০.০১.০০১.২৩.১৭৫০ নম্বর স্মারকের আলোকে ‘পৃথক পাস’ নীতির অবসান এবং দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
২. ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য চারু ও কারুকলা বিষয়ে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
৩. মাধ্যমিক স্তরে বিষয়টি বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে শিক্ষক নিয়োগ ও সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।
৪. বিদ্যমান শূন্যপদ দ্রুত পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
৫. নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘চারু ও কারুকলা’ বিষয়ের গুরুত্ব না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একধরনের মানসিক ও সাংস্কৃতিক অপুষ্টির শিকার হবে। এটি কেবল একটি চাকরির দাবি নয়, বরং শিল্পমনস্ক জাতি গঠনের আন্দোলন।
পড়ুন: ৪ দফা দাবিতে ঝিনাইদহে স্মারকলিপি পেশ ও সমাবেশ
এস


