ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি নতুন বহর নিক্ষেপ করার পরপরই জেরুজালেম এবং তেল আবিবে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এ হামলার পর মধ্য থেকে উত্তর ইসরায়েলে ‘এয়ার অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ভোরে ইসরায়েলের কমপক্ষে চারটি স্থানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে খবর দিয়েছে স্থানীয় গণামধ্যম। এর মধ্যে দক্ষিণ ইসরায়েলের বে’র শেভায় অবস্থিত সোরোকা হাসপাতালে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়াও পূর্বে তেল আবিব ও রামাত গান এবং দক্ষিণে হলনেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর নতুন এবং বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত বলে জানা গেছে। ইরান-ইসরাইল সংঘাতের মধ্যে এটাই ওই অঞ্চলে সবশেষ বড় সামরিক পদক্ষেপ।
সিএনএন-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যাকারি কোহেনের বরাত দিয়ে আরেক মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট বুধবার (১৮ জুন) এ খবর জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ১,১০০ ফুট উচ্চতার পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপে মধ্যপ্রাচ্যের কাছে পাঠানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এই অঞ্চলের তৃতীয় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী হিসেবে বিবেচিত হবে।
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ বিলিয়ন ডলারের এই ক্যারিয়ারটি সম্ভবত গত বছরই ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তবে ইরান-ইসরাইল সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের কাছে পাঠানোর মার্কিন সিদ্ধান্তকে সহজভাবে দেখছেন না অনেকেই। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় ইরানে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
বলা হচ্ছে, জেরাল্ড ফোর্ড ইউএসএস কার্ল ভিনসনের সাথে যোগ দেবে, যা ইতোমধ্যে পারস্য উপসাগরে রয়েছে। এবং ইউএসএস নিমিৎজ, যেটি এই সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পড়ুন: ইরানে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৬৩৯, আহত ১৩২০
এস


