লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদী থেকে ভেসে আসা অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহটি ভোলা সরকারি কলেজের ছাত্রী সুকর্না আক্তার ইপ্সিতার (২১) বলে শনাক্ত করেছেন তার বাবা। সোমবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২২ জুন বিকেলে জামাকাপড় ও ছবি দেখে মেয়েকে শনাক্ত করেন নিহতের বাবা মাসুদ রানা। মরদেহটি ২০ জুন রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার বুড়িরঘাট এলাকায় নদী থেকে উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।
এর আগে, ১৭ জুন ভোলা থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৪ লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন ইপ্সিতা। পরিবারের দাবি, লঞ্চের কেবিনে ‘জসিম’ নামে এক ব্যক্তির বুকিংয়ে উঠেছিলেন তিনি। মোবাইলে কারও সঙ্গে উত্তেজিত কথোপকথনের পর নদীতে ঝাঁপ দেন, কিংবা তাকে ফেলে দেওয়া হয়—এ নিয়েও রয়েছে সন্দেহ।
লঞ্চের এক নারী যাত্রী ৯৯৯-এ কল দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পরে মুন্সিগঞ্জে পুলিশ দু’জন লঞ্চ স্টাফ ও অভিযোগকারী নারীকে জিজ্ঞাসাবাদে নেয়, তবে প্রমাণের অভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ইপ্সিতার বাবা ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ রানা লক্ষ্মীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানিয়েছে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আজিজুল হক ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ।
পড়ুন: ময়মনসিংহের ত্রিশালে পাঁচ লাখ টাকার হেরোইন ও গাঁজাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার
দেখুন: সবজির দাম বেড়েছে কয়েকগুন, কৃষকের লাভ নেই
ইম/


