বিজ্ঞাপন

ঝিনাইদহে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষকের প্রেমের সম্পর্ক, ন্যায়বিচার চেয়ে পিতার অভিযোগ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদরাসার সহকারী সুপারের প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর পিতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির কাছে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক মো. বিল্লাল হোসেন কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার। তিনি পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কয়ারগাছি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। বিল্লাল হোসেন পারিবারিক জীবনে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক বলে জানা গেছে।

মেয়েটির পিতা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার সহকারী সুপার মো. বিল্লাল হোসেন গত এক বছর ধরে আমার মেয়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। এই সম্পর্ক বর্তমানে আপত্তিকর ও চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করেছে। এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা আমার মেয়েকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং আমি তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। একই সাথে আমি সামাজিকভাবে অবহেলিত ও হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সহকারী সুপার মো. বিল্লাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইলফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, বর্তমানে মাদরাসা বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা বলে তিনি ফোনটি কেটে দেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, সহকারী সুপারের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর পিতার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আগামী ২৬ জুন মাদরাসা চালু হবে। এরপর এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেদারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে এ বিষয়ে আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঝিনাইদহে গ্রাম আদালত বিষয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন