১৯/০২/২০২৬, ০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৯/০২/২০২৬, ০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বরগুনার পাথরঘাটায় ডেঙ্গু কেড়ে নিলো উপজেলা পরিষদ কর্মকর্তার প্রাণ

বরগুনার পাথরঘাটায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিএ) মোসা. সিরাজুম মুনিরা (৩৩) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌছালে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ২৪ জুন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হলে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাখাল চন্দ্র বিশ্বাস অপূর্ব বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন। সিরাজুম মুনিরা চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশার খাসভিটা গ্রামের মোজাম্মেল হক কাজীর মেয়ে এবং পাথরঘাট সদর ইউনিয়নের পদ্মা গ্রামের মনির হোসেনের স্ত্রী। তাদের ১০ বছরের একটি ছেলে ও ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জানা গেছে, গত ২৪ জুন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হলে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিসা জন্য নিয়ে আসেন।

পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেয়ার কথা জানান হাসপাতাল কতৃপক্ষ। কিন্তু তার পরিবার নিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ কোন দায় নিবেনা বলে জানান। তারা সম্মতি দিলে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেন। সেখানে আরো অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে ররিশাল নেয়ার পথে সিরাজুম মুনিরার মৃত্যু হয়।

পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাখাল চন্দ্র বিশ্বাস অপূর্ব জানান, সিরাজুম মুনিরার অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। তাদেরকে বার বার উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে বলা হলেও পরিবার তা করেননি। যখন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে তখন তার শেষ অবস্থা ছিলো। ডেঙ্গু বর্তমান সময়ে খুব ভয়ংকার রুপ ধারন করেছে, এ রোগকে স্বাভাবিকভাবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি আরো জানান, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত এ উপজেলায় ১১২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ২৫ জুন একজন এবং আজকের ১ জন মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনএ/

দেখুন: বরগুনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ময়লা আবর্জনায় অস্বাস্থ্যকর 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন